মহাকাল

মহাকাল

Thursday, 19 October 2017

ওঁ কালি কালি মহাকালি কালিকা পরমেশ্বরী। সর্বান্দকরে দেবী নারায়ণি নমোহস্তুতে।। ওঁ ত্রিগুণা তামসী দেবী সাত্ত্বিকী যা ত্রিধোদিতা। সা শর্বা চন্ডিকা দূর্গা ভদ্রা ভগবতীর্যতে।। যোগনিদ্রা হরেরুক্তা মহাকালী তমোগুণা। মধুকৈটভনাশার্থং যাং তুষ্টাবাম্বুজাসনঃ।। দশবক্ত্রা দশভুজা দশপাদাঞ্জনপ্রভা। বিশালয়া রাজমানা ত্রিংশল্লোচনমালয়া।। স্ফুরদ্দশনদংষ্টা সা ভীমরুপাপি ভূমিপ। রুপসৌভাগ্যকান্তীনাং সা প্রতিষ্ঠা মহাশ্রিয়ঃ।। খড়গ- বাণ- গদা- শূল-শঙ্খ- চক্র- ভুশুণ্ডিভৃৎ। পরিঘং কামুর্কং শীর্ষং নিশ্চ্যোতদ্রুধিরং দধৌ।। এষা সা বৈষ্ণবী মায়া মহাকালী দূরত্যয়া। আরাধিতা বশীকুর্যাৎ পূর্জাকর্তুশ্চরাচরম্।। ------------------------------ ------------------------- বঙ্গানুবাদঃ ঋষি বলিলেন---- হে রাজন! পূর্বে সত্ত্বগুণপ্রধান া ত্রিগুণাত্মিকা যেই মহালক্ষী তামসী ইত্যাদি রুপ অনুসারে তিন স্বরুপের কথা বলা হয়েছে, তিনিই শর্বা, চন্ডিকা, দূর্গা, ভদ্রা,ও ভগবতী ইত্যাদি বিভিন্ন নামে অভিহিতা হন।তমোগুণী মহাকালীকে ভগবান। বিষ্ণুর যোগনিদ্রা বলা হয়,মধু ও কৈটভকে বিনাশের উদ্দেশ্যে ব্রহ্মা যাঁর স্তুতি করেছিলেন,তিনিই মহাকালী।। তাঁর দশমুখ, দশহস্ত, ও দশপদ।ইনি বাজলেন মত কৃষ্ণবর্ণা এবং ত্রিশটী নয়নমালার সহিত বিবাহিতা।। হে ভূপাল! সুন্দর ও উজ্বল দন্তযুক্তা যদিও তার রুপ ভয়ঙ্কর,তথাপি তিনি রুপ,সৌভাগ্য, শান্তি এবং মহা- শ্রীর আশ্রয়।। তার হাতে খড়গ,বাণ,গদা,শূল ,শঙ্খ,চক্র,ভুশুণ্ডি, পরিঘ,ধনুক ও রক্তক্ষরণ শীল কাটামুন্ডু।। এই মহাকালি ভগবান বিষ্ণুর দুরত্যয়া মায়াশক্তি। ইনি আরাধিতা হলে চরাচর জগৎকে নিজের ভক্তের অধীন করে দেন।। I

ওঁ কালি কালি মহাকালি
কালিকা পরমেশ্বরী।
সর্বান্দকরে দেবী নারায়ণি
নমোহস্তুতে।।
ওঁ ত্রিগুণা তামসী দেবী
সাত্ত্বিকী যা
ত্রিধোদিতা।
সা শর্বা চন্ডিকা দূর্গা ভদ্রা
ভগবতীর্যতে।।
যোগনিদ্রা হরেরুক্তা
মহাকালী তমোগুণা।
মধুকৈটভনাশার্থং যাং
তুষ্টাবাম্বুজাসনঃ।।
দশবক্ত্রা দশভুজা
দশপাদাঞ্জনপ্রভা।
বিশালয়া রাজমানা
ত্রিংশল্লোচনমালয়া।।
স্ফুরদ্দশনদংষ্টা সা
ভীমরুপাপি ভূমিপ।
রুপসৌভাগ্যকান্তীনাং সা
প্রতিষ্ঠা মহাশ্রিয়ঃ।।
খড়গ- বাণ- গদা- শূল-শঙ্খ- চক্র-
ভুশুণ্ডিভৃৎ।
পরিঘং কামুর্কং শীর্ষং
নিশ্চ্যোতদ্রুধিরং দধৌ।।
এষা সা বৈষ্ণবী মায়া
মহাকালী দূরত্যয়া।
আরাধিতা বশীকুর্যাৎ
পূর্জাকর্তুশ্চরাচরম্।।
------------------------------
-------------------------
বঙ্গানুবাদঃ
ঋষি বলিলেন---- হে রাজন!
পূর্বে সত্ত্বগুণপ্রধান
া ত্রিগুণাত্মিকা যেই
মহালক্ষী তামসী ইত্যাদি রুপ
অনুসারে তিন স্বরুপের কথা
বলা হয়েছে, তিনিই শর্বা,
চন্ডিকা, দূর্গা, ভদ্রা,ও ভগবতী
ইত্যাদি বিভিন্ন নামে
অভিহিতা হন।তমোগুণী
মহাকালীকে ভগবান। বিষ্ণুর
যোগনিদ্রা বলা হয়,মধু ও
কৈটভকে বিনাশের
উদ্দেশ্যে ব্রহ্মা যাঁর স্তুতি
করেছিলেন,তিনিই
মহাকালী।।
তাঁর দশমুখ, দশহস্ত, ও দশপদ।ইনি
বাজলেন মত কৃষ্ণবর্ণা এবং
ত্রিশটী নয়নমালার সহিত
বিবাহিতা।।
হে ভূপাল! সুন্দর ও উজ্বল
দন্তযুক্তা যদিও তার রুপ
ভয়ঙ্কর,তথাপি তিনি
রুপ,সৌভাগ্য, শান্তি এবং
মহা- শ্রীর আশ্রয়।।
তার হাতে খড়গ,বাণ,গদা,শূল
,শঙ্খ,চক্র,ভুশুণ্ডি, পরিঘ,ধনুক ও
রক্তক্ষরণ শীল কাটামুন্ডু।।
এই মহাকালি ভগবান বিষ্ণুর
দুরত্যয়া মায়াশক্তি।
ইনি আরাধিতা হলে চরাচর
জগৎকে নিজের ভক্তের অধীন
করে দেন।।